মহান আল্লাহ্‌ কি নিরাকার, নাকি তার আকার আছে?

মহান আল্লাহ্‌ কি নিরাকার, নাকি তার আকার আছে?

মহান আল্লাহ্‌র আকার আছে। তিনি নিরাকার নন। তবে সেই আকার কেমন, তা কেউ জানে না। তিনি বলেছেন "কোন কিছুই তার সদৃশ নয়, তিনি সর্বশ্রোতা সর্বদ্রষ্টা " (সুরা শূরাঃ১১) তাকে বেহেশতে দেখা যাবে। তার দীদারই হবে বেহেশতে সবচেয়ে বড় সুখ। মহানবী (সাঃ) স্বপ্নে আল্লাহকে দেখেছেন। তিনি বলেছেন, আমি আমার প্রতিপালককে সবচেয়ে সুন্দর আকৃতিতে দর্শন করেছি (৪)

যে মসজিদে কবর আছে, সে মসজিদে নামাজ হয় না। মসজিদে কবর দেওয়া অথবা কবরের উপরে মসজিদ বানানো বৈধ নয় কেন? অথচ মহানবী (সাঃ) এর কবর মসজিদের ভিতরে রয়েছে।

যে মসজিদে কবর আছে, সে মসজিদে নামাজ হয় না। মসজিদে কবর দেওয়া অথবা কবরের উপরে মসজিদ বানানো বৈধ নয় কেন? অথচ মহানবী (সাঃ) এর কবর মসজিদের ভিতরে রয়েছে।

বৈধ নয়, যেহেতু মহানবী (সাঃ) তা নিষেধ করে গেছেন। আর তার কবর মসজিদের ভিতরে মনে হলেও তাতে কিন্তু বৈধতার দলীল নেই। কারনঃ
প্রথমতঃ মসজিদে নববী নবী (সাঃ) নিজে বানিয়েছেন। সুতরাং তার কবরের উপর মসজিদ হয়নি।
দ্বিতীয়তঃ তার ইন্তেকালের পর তার কবর মসজিদ হয়নি। বরং তার কবর হয়েছিল মা আয়েশা (রাঃ) ঘরের ভিতরে।
তৃতীয়তঃ মসজিদে নববী সম্প্রসারণের সময় মা আয়েশার ঘর যখন মসজিদের শামিলে আনা হয়, তখন তা সাহাবাগনের ঐক্যমতে ছিল না। বরং সেই সময় অধিকাংশ সাহাবা পরলোকগত। আর তা ছিল প্রায় ৯৪ হিজরীতে। যে সকল সাহাবা তখন বর্তমান ছিলেন, তাদের মধ্যে অনেকেই সে কাজের প্রতিবাদ করেছেন। তাবেঈনদের মধ্যে যারা প্রতিবাদ করেছেন, তাদের মধ্যে সাঈদ বিন মুসাইয়িব অন্যতম।
চতুর্থতঃ মা আয়েশার হুজরা মসজিদে শামিল হওয়ার পরেও কবর মসজিদে নয়। বরং তা পৃথক কক্ষে সংরক্ষিত আছে। তিন তিনটি দেওয়াল ও রেলিং দিয়ে তা পৃথক করা আছে। ভিতরের দেওয়াল দেওয়া আছে তিনকোণা আকারে, যাতে তার পশ্চাতে কেউ নামায পড়তে দাঁড়ালে সরাসরি কবর সামনে না পড়ে ।
বলা বাহুল্য, মহানবী (সাঃ) এর কবর দেখে মসজিদের ভিতর কবর দেওয়ার বৈধতার দলীল পেশ করা শুদ্ধ নয়। (৫)

উম্মতে মুহাম্মাদীর বৈশিষ্ট্য

উম্মতে মুহাম্মাদীর বৈশিষ্ট্য

উম্মতে মুহাম্মাদীর বৈশিষ্ট্য

১) উম্মতে মুহাম্মদীর প্রধান বৈশিষ্ট্য তারা সর্বশ্রেষ্ঠ উম্মত।

২) এই উম্মতের দ্বীন সনদের মাধ্যমে যাচাই-বাছাইয়ের উপর প্রতিষ্ঠিত।

৩) এই উম্মত বাতিল বা বিভ্রান্তিকর বিষয়ে ঐক্যমত পোষন করবে না।

[ ইবনে মাজাহ ২৮৯৩ ]

[ ইবনে মাজাহ ২৮৯৩ ]
” ইবনে উমর রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-আল্লাহর পথে জিহাদকারী এবং হজ্জ ও উমরা পালনকারীরা আল্লাহর মেহমান। আল্লাহ তাদের আহ্বান করেছেন, তারা সে আহ্বানে সাড়া দিয়েছে। তারা আল্লাহর কাছে যা চাইছে আল্লাহ তাই তাদের দিয়ে দিচ্ছেন।”—– [ ইবনে মাজাহ ২৮৯৩ ]

গোসল পাট নং-১

গোসল পাট নং-১

‘আয়িশা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন জানাবাতের গোসল করতেন, তখন প্রথমে তাঁর হাত দু'টো ধুয়ে নিতেন। অতঃপর সালাতের উযূর মত উযূ করতেন। অতঃপর তাঁর আঙ্গুলগুলো পানিতে ডুবিয়ে নিয়ে চুলের গোড়া খিলাল করতেন। অতঃপর তাঁর উভয় হাতের তিন আঁজলা পানি মাথায় ঢালতেন। তারপর তাঁর সারা দেহের উপর পানি ঢেলে দিতেন।

সহিহ বুখারী, হাদিস নং ২৪৮
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
www.islamic-hadith.in