উযূর মাসআলা ( পর্ব ১)
ইসলামী শরীআহতে পবিত্রতার বিধানে সর্বাধিক গুরুত্ব উযূতে দেয়া হয়েছে। উযূ ছাড়া সলাত হয় না। এমনকি উযূ করে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করার নির্দেশ হাদীসে রয়েছে । পবিত্রতা সম্পর্কিত বিধান গুলো ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ করা হবে। আজকের প্রথম পর্বে উযুর সংজ্ঞা ও এর সম্পর্কিত সংক্ষিপ্ত মাসআলা প্রকাশ করা হবে। এর পর ধারাবাহিকভাবে পূর্ণাঙ্গরুপে প্রকাশ করা হবে। এর পর আপনাদের সুবিধার জন্য ভিডিও টিউটোরিয়াল ও ফ্ল্যাশ অ্যানিমেশনও প্রকাশ করা হবে ইনশাআল্লাহ।
উযুর সংজ্ঞা:
উযূর শাব্দিক অর্থ হচ্ছে স্বচ্ছতা। ইসলামের পরিভাষায় আল্লাহর নামে পাক পানি দিয়ে শারঈ পদ্ধতিতে হাত,মুখ,পা ধৌত করা ও মাথা মাসেহ করাকে উযু বলে।
উযূর শর্ত: উযূর জন্য ৮টি শর্ত রয়েছে।
- মুসলিম হওয়া ( কোন কাফের উযূ করলে তা উযূ হবে না)
- জ্ঞান সম্পন্ন হওয়া ( কোন পাগল উযু করলে তা উযূ হবে না)
- উপযুক্ত বয়স হওয়া
- নিয়্যাত বা সংকল্প। যারা গরমের কারণে নিজেকে ঠান্ডা করার জন্য অথবা উযূর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো হতে নাপাকি বা ময়লা দূর করার নিয়্যাতে উযূ করল, তার উযূ হবে না।
- পানি পবিত্র হওয়া। অপবিত্র পানি দ্বারা উযূ হবে না।
- বৈধ পানি হওয়া। পনি যদি কারো নিকট হতে ছিনতাই করা হয় অথবা বৈধভাবে অর্জিত না হয় তাহলে সেই পানিতে উযূ হবে না।
- ইস্তিঞ্জা করার অতীব প্রয়োজন হলে তা উযূর আগে করা
- শরীরে এমন কিছু থাকলে যা পানি পৌছাতে বাধা প্রদান করে, তা দুর করা। যেমন মাটি, আঠা, গাঢ় ময়লা ও মোমের মত কিছু থাকলে, যাতে শরীরে পানি পৌছাতে পারে না।
উল্লেখ্য যে, আল্লামা শায়খ বিন বায উযূর শর্ত আরও দুটি বর্ণনা করেছেন।
উযূর ওয়াযিব নষ্ট হলে
এবং সালাতের সময় হওয়া, ঐ ব্যক্তির ব্যাপারে যার সর্বদা উযূ ভেঙ্গে যায়।
উযুর ফারয চারটি। যথা:
- সম্পূর্ণ মুখ ধোয়া
- কনুই পর্যন্ত হাত ধোয়া
- মাথা মাসাহ করা
- টাখনু পর্যন্ত দু পা ধোয়া
এ সম্পর্কিত কুরআনের আয়াত
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا قُمْتُمْ إِلَى الصَّلَاةِ فَاغْسِلُوا وُجُوهَكُمْ وَأَيْدِيَكُمْ إِلَى الْمَرَافِقِ وَامْسَحُوا بِرُءُوسِكُمْ وَأَرْجُلَكُمْ إِلَى الْكَعْبَيْنِ ۚ وَإِن كُنتُمْ جُنُبًا فَاطَّهَّرُوا
অর্থ: হে মুমিনগণ, যখন তোমরা নামাযের জন্যে উঠ, তখন স্বীয় মুখমন্ডল ও হস্তসমূহ কনুই পর্যন্ত ধৌত কর এবং পদযুগল গিটসহ। যদি তোমরা অপবিত্র হও তবে সারা দেহ পবিত্র করে নাও ( সুরা আল মায়িদাহ আয়াত নং-৬)।
এগুলো বাদে উযূর সবকিছু সুন্নাত। যেমন কব্জি পর্যন্ত ধোয়া, কুলি করা, নাকে পানি দেয়া, কান মাসেহ করা প্রভৃতি।
উযূ ভঙ্গের কারণ:
- পেশাব পায়খানার রাস্তা দিয়ে দেহ থেকে কোন কিছু ( যেমন-পেশাব,পায়খানা,কৃমি,বায়ু,মযী প্রভৃতি) বের হলে। বিভিন্ন সহীহ হাদীস হতে জানা যায়, এটাই হচ্ছে উযু ভঙ্গের প্রধান কারণ।
- যেসব কাজ করলে গোসল ফারয হয় তা ঘটলে
- হেলান দিয়ে ঘুমিয়ে পড়লে
- পর্দাহীন অবস্থায় লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে।
- উটের কাঁচা বা রান্না গোশত খেলে । এতে নর বা মাদী কোন পার্থক্য নেই।
- ইস্তিহাযার রক্ত বের হলে। শায়খ নাসিরুদ্দীন আলবানী বলেন, ইস্তিহাযা ব্যতীত কম হৌক বা বেশী হৌক অন্য কোন কারণে রক্ত প্রবাহের কারণে উযু ভঙ্গ হওয়ার কোন সহীহ দলীল নেই।
- পেটের গন্ডগোল, ঘুম, যৌন উত্তেজনা ইত্যাদির কারণের পেক্ষিতে কেউ উযু ভঙ্গ হওয়ার ব্যাপারে সন্দেহে পতিত হলে পুনরায় উযু করবে। কিন্তু যদি কোন শব্দ,গন্ধ বা নিদর্শন না পান এবং নিজের উযুর ব্যাপারে নিশ্চিত থাকেন তাহলে পুনরায় উযু করার প্রয়োজন নেই।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: আমাদের দেশে অনেক বইতে উযূ ভঙ্গের কারণে আর কয়েকটি উল্লেখ করা হয়
যেমন:
- বমি হলে
- নাকসির
- গোড়ালীর নীচে কাপড় পড়লে
- মরা লাশ গোসল দিলে উযূ ভঙ্গ হয়।
মূলত এসব কারণে উযূ ভঙ্গ হয় না। উক্ত মর্মে যে সমস্ত হাদীস বর্ণিত হয়েছে তা যইফ। যেমন ফিকহুস সুন্নাহ প্রণেতা সায়্যিদ সাবিক বলেন, বমি করলে উযূ ভঙ্গ হয় না। তিনি বলেন, ‘মুখ ভর্তি বমি হোক বা কম হোক বমিতে উযূ হবে এমন কোন সহীহ হাদীস নেই। ( ফিকহুস সুন্নাহ পৃ-৪০)। তিরমিযীর ভাষ্যকার আবদুর রহমান মুবারকপুরীও অনুরুপ মত ব্যক্ত করেছেন।
নাকসীর বা নাক দিয়ে রক্ত বের হলেও উযূ নষ্ট হয় না। উক্ত মর্মে যে হাদীস বর্ণিত হয়েছে তাও যইফ। ( নায়লুল আওতার ১/১৮৭ পৃ: মিরআত ১/৪০৮ পৃ:)।
সালাত আদায় করার সময় কাপড় পায়ের গীটের নিচে গেলে উযূ নষ্ট হবে মর্মে যে হাদীস বর্ণিত হয়েছে তা যইফ। ( ছহীহ আবু দাউদ হা/৬৩৮)।
তবে যে কোন অবস্থায় টাখনুর নীচে কাপড় পড়া পুরুষের জন্য হারাম। ( মুত্তাফাকুন আলাইহ)
পেশাব-পায়খানার রাস্তা ব্যতীত শরীরের অন্য কোন স্থান হতে রক্ত বের হলে উযূ ভঙ্গ হবে না। রক্ত কম বেশী যাই হোক না কেনো। হাসান বছরী (রহ) বলেন, মুসলমানগণ যখম অবস্থায় সালাত আদায় করতেন। উমর (রা) খুন ঝরা অবস্থায় সালাত আদায় করেছেন। ( আবু দাউদ, ইবনু খুজায়মা, বুখারী ১/২৯ পৃ:, ফিকহুস সুন্নাহ পৃ: ৪০)।
লাশ গোসল দিলে উযূ নষ্ট হয় না। এ মর্মে যে হাদীস বর্ণিত হয়েছে তা যইফ। আল্লামা সাইয়িদ সাবিক্ব বলেন, লাশ গোসল দেওয়ার কারণে উযূ নষ্ট হওয়ার হাদীসগুলো যইফ। তাই উযূর প্রয়োজন নেই। ( ফিকহুস সুন্নাহ পৃষ্ঠা-৪১)।
শায়খ বিন বায (রহ) বলেন, মুর্দাকে গোসল দেওয়ার কারণে উযূ ভাঙ্গে না। কারণ এর পিছনে কোন দলীল নেই। তবে হ্যাঁ গোসলদাতার হাত যদি মুর্দার গুপ্তাঙ্গে কোন পর্দা ছাড়াই স্পর্শ করে তবে তার উপর উযূ ওয়াজিব হবে। ( উম্মাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ, পৃ:২০)।
উযূর ফাযীলাত
পোস্টটি লিখেছেন: শুজায়াত জামালী
উযূ ইসলামের পবিত্রতা অর্জনের অন্যতম মাধ্যম। আল্লাহ তাআলা পবিত্র এবং তিনি পবিত্রতাকে ভালোবাসেন।
পবিত্র কুরআনে পবিত্রতা অর্জনকারীদের প্রশংসা করেছেন। যেমন-
فِيهِ رِجَالٌ يُحِبُّونَ أَن يَتَطَهَّرُوا ۚ وَاللَّهُ يُحِبُّ الْمُطَّهِّرِينَ [٩:١٠٨]
‘সেখানে রয়েছে এমন লোক, যারা পবিত্রতাকে ভালোবাসে। আর আল্লাহও পবিত্র লোকদের ভালোবাসেন। ( সূরা তাওবাহ, আয়াত নং-১০৮)।
ইমাম কুরতুবী (রহ) উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন, যারা পবিত্রতাকে ভালোবাসেন এবং প্রাধান্য দেন আল্লাহ অত্র আয়াতে তাদের প্রশংসা করেছেন।
এছাড়াও অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেছেন,
إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ التَّوَّابِينَ وَيُحِبُّ الْمُتَطَهِّرِينَ
নিশ্চয়ই আল্লাহ তাওবাহকারী ও পবিত্রতা অর্জনকারীদেরকে ভালোবাসেন। (সূরা বাকারাহ, আয়াত নং-২২২)।
এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সা বলেছেন,
لاَ تُقْبَلُ صَلاَةٌ بِغَيْرِ طُهُوْرٍ وَلاَ صَدَقَةٌ مِنْ غُلُوْلٍ
পবিত্রতা অর্জন ব্যতীত কারো সলাত কবুল হয় না এবং হারাম মালের ছাদাক্বা কবুল হয় না।
এরকম আরো একটি হাদীস
পবিত্রতা ছাড়া সলাত কবুল হয় না।
আলী (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন, পবিত্রতা ( উযূ) হলো সলাতের চাবি।
উত্তমরুপে উযূ করলে তাঁর পুর্বেকার সকল গুনাহ মাফ করে দেয়াহয়।
উসমান ইবনু আফফান (রা) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ বলেছেন, যে ব্যক্তি এভাবে ( উত্তমরুপে) উযূ করে, তার পূর্বেকার সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। ফলে তার সলাত ও মাসজিদে যাওয়া অতিরিক্ত আমল বলে গণ্য হয়। ( সহীহ মুসলিম হা/৫৬৬)।
আবু হুরাইরাহ (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নাবী (সা) কে বলতে শুনেছি, ক্বিয়ামাতের দিন আমার উম্মাতকে এমন অবস্থায় আহবান করা হবে যে, পূর্ণাঙ্গরুপে উযূ করার কারণে তাদের হাত-পা ও মুখমন্ডল উজ্জল থাকবে। কাজেই তোমরা যারা সক্ষম তারা অধিক উজ্জলতাসহ উঠতে চেষ্টা করো। ( সহীহুল বুখারী হা/১৩৩)।
এছাড়াও অন্য হাদীসে রয়েছে,
উযূ করার সময় কেউ যদি উত্তমরুপে উযু করে তাহলে তার শরীরের সমস্ত গুনাহ ঝরে যায়। এমনকি তার নখের নীচের গুনাহও বের হয়ে যায়। ( সহীহ মুসলিম হা/৬০১, আহমাদ হা/৪৭৬)।
রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন, আমি কি তোমাদের এমন কাজের কথা জানাবো না, যা করলে আল্লাহ (বান্দার) গুনাহ মাফ করেন এবং মর্যাদা বৃদ্ধি করেন। লোকরো বললো, হে আল্লাহর রাসূল আপনি বলুন। তিনি বললেন, কষ্টকর অবস্থায় থেকেও পূর্ণাঙ্গরুপে উযূ করা,সলাতের জন্য বারবার মাসজিদে যাওয়া এবং এক সলাতের পর আরেক সলাতের অপেক্ষায় থাকা। আর এক কাজগুলোই হলো প্রস্তুতি ( রিবাত)।
উসমান ইবনু আফফান (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসুলুল্লাহ (সা) পূর্ণাঙ্গরুপে উযূ করার পর বললেন, যে ব্যক্তি আমার এ উযূর ন্যায় উযূ করার পর একাগ্রচিত্তে দু’ রাকআত সলাত আদায় করবে এবং এ সময় অন্য কোন ধারণা তার অন্তরে উদয় হবে না। তাহলে তার পূর্বেকার সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। ( সহীহুল বুখারী হা/১৫৫)।
কোন মুসলিম উত্তমরুপে উযু করে সলাত আদায় করলে পরবর্তী ওয়াক্তের সলাত পর্যন্ত তার সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। ( সহীহ মুসলিম হা/৫৬২)।
অন্য হাদীসে কবীরা গুনাহ না করা কথা রয়েছে। ( মুসলিম হা/৫৬৫)।
উযূ করে দুআ পড়ার ফাযীলাত
উক্ববাহ ইবনু আমির (রা) হতে বর্ণিত।রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন, তোমাদের মধ্যকার কেউ যদি উত্তমরুপে উযূ করার পর বলে যে,
أَشْهَدُ أَنْ لآ إلَهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ، اَللَّهُمَّ اجْعَلْنِيْ مِنَ التَّوابِيْنَ وَاجْعَلْنِيْ مِنَ الْمُتَطَهِّرِيْنَ-
উচ্চারণ: আশহাদু আল্লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা-শারীকা লাহূ, ওয়া আশহাদু আন্না মুহামমাদান আব্দুহু ওয়া রাসুলুহু। আল্লা হুম্মাজ আলনী মিনাত তাউয়াবীনা ওয়াজ আলনী মিনাল মুতাত্ত্বাহিহরীন।
অনুবাদ: “আমি স্বাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসুল।
তাহলে তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেয়া হয়। সে ইচ্ছে করলে এর যে কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে। (মুসলিম হা/৫৭৬) সর্বশেষ অংশটুকু তিরমিযী শরীফে অতিরিক্ত হিসেবে রয়েছে। যেটির সনদ হাসান।
উযূ করে মাসজিদে যাওয়ার ফাযীলাত সম্পর্কে হাদীসে এসেছে,
সাইদ ইবনুল মুসাইয়্যেব (র) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক আনসারী সাহাবীর মৃত্যু আসন্ন হলে তিনি বলেন, আমিতোমাদের নিকট কেবল সাওয়াব লাভের আশায় একটি হাদীস বর্ণনা করবো। আমি রাসুলুল্লাহ (সা) কে বলতে শুনেছি ,তোমাদের কেউ যখন উত্তমরুপে উযূ করে সলাতের উদ্দেশ্যে বের হয়, তখন সে তার ডান পা উঠাতেই মহান আল্লাহ তার জন্য একটি সওয়াব লিখে দেন। এরপর বাম পা ফেলার সাথে সাথেই মহা সম্মানিত আল্লাহ তার একটি গুনাহ ক্ষমা করে দেন।এখন তোমাদের ইচ্ছা হলে মাসজিদের নিকটে থাকবে অথবা দুরে।অত:পর সে যখন মাসজিদে গিয়ে জামায়াতে সলাত আদায় করে তখন তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়। যদি জামাআত শুরু হয়ে যাওয়ার পর মাসজিদে উপস্থিত হয় এবং অবশিষ্ট সলাতে শামিল হয়ে সলাতের ছুটে যাওয়া অংশ পূর্ণ করে, তাহলেও তাকে অনুরুপ (জামআতে পূর্ণ সলাত আদায়কারীর সাওয়াব) দেওয়া হয় । আর যদি সে ( মাসজিদে এসে) জামাআত সমাপ্ত দেখে একাকী সলাত আদায় করে নেয়, তবুও তাকে ঐরুপ ( ক্ষমা করে) দেওয়া হয়। ( আবু দাউদ হা/৫৬৩), হাদীস সহীহ।
উযূ সহ ঘুমানোর ফাযীলাত
ইবনু উমার (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা) বলেন, কেউ উযূ করে রাত্রি যাপন করলে তার কাছাকাছি একজন ফিরিশতা রাত্রি যাপন করেন। সে জাগ্রত হওয়ার আগ পর্যন্ত ঐ ফিরিশতা তার জন্য এই বলে দুআ করেন, হে আল্লাহ! আপনার এই বান্দাকে ক্ষমা করে দেন, কেননা সে পবিত্রতা অর্জন করে রাত্রি যাপন করেছে। ( ইবনু হিব্বান হা/১০৫৭, সিলসিলাহ সহীহাহ হা/২৫৩৯)।
আল্লাহ আমাদের পূণাঙ্গরুপে উযূ করার তাওফিক দিন।