মিলাদ কিয়াম বিদ’আত, দলিল দিন !
==========================
-কুরআন এর কোন আয়াতে আছে যে মিলাদ-কিয়াম করা নিষেধ? রাসুল ﷺ এর কোন হাদীসে আছে যেখানে বলা আছে যে মিলাদ করা যাবে না, কিয়াম করা যাবে না? হাদীসের নাম্বার সহ বলূন।
-ভাই আপনি বিয়ে করেছেন?
-কেন এই প্রশ্ন।
-জানতে চাচ্ছি বলুন।
-না।
-আপনার নিকাহনামাটা কি আপনার কাছে না আপনার স্ত্রীর কাছে।
-কিসের নিকাহনামা? বললাম না যে বিয়ে করি নাই এখনও।
-ও তাই...., তাহলে তালাক নামাটা কি আপনার কাছে আছে?
-আবারও ভুল প্রশ্ন করলেন, আরে ভাই বললাম না বিয়ে করি নাই এখনও, কোন তালাক নামা ফালাক নামার প্রশ্ন আসছে কেন?
.
==========================
-কুরআন এর কোন আয়াতে আছে যে মিলাদ-কিয়াম করা নিষেধ? রাসুল ﷺ এর কোন হাদীসে আছে যেখানে বলা আছে যে মিলাদ করা যাবে না, কিয়াম করা যাবে না? হাদীসের নাম্বার সহ বলূন।
-ভাই আপনি বিয়ে করেছেন?
-কেন এই প্রশ্ন।
-জানতে চাচ্ছি বলুন।
-না।
-আপনার নিকাহনামাটা কি আপনার কাছে না আপনার স্ত্রীর কাছে।
-কিসের নিকাহনামা? বললাম না যে বিয়ে করি নাই এখনও।
-ও তাই...., তাহলে তালাক নামাটা কি আপনার কাছে আছে?
-আবারও ভুল প্রশ্ন করলেন, আরে ভাই বললাম না বিয়ে করি নাই এখনও, কোন তালাক নামা ফালাক নামার প্রশ্ন আসছে কেন?
.
-বিয়ে করা না থাকলে যেমন তালাক নামার দলিল পাওয়া যায় না তেমনি মিলাদ কিয়ামের কোন নিয়ম কোরআন হাদিসের কোথাও নেই, তাহলে যা নেই তার আবার দলিল কিসের? বরঞ্চ আপনারা যারা মিলাদ কিয়াম করেন তাদের দলিল দিতে হবে কোরআন বা হাদীস দিয়ে মিলাদ কিয়াম এর পক্ষে।
-দলিল না থাকলেই নিষেধ হবে কেন?
-নামাজে ৩ সিজদা দেওয়া যাবে না, রাসুল ﷺ থেকে কোন নিষেধ দেখাতে পারবেন?
-না।
-তাহলে মাঝে মাঝে ৩ সিজদা দেন না কেন?
-রাসুল ﷺ ২ সিজদা দিতেন,তাই আমরাও ২ সিজদা দেই!
-ঠিক,শুনুন ইসলামী শরীয়তের উসুল হলো রাসুল ﷺ যা করেছেন তা করা, আর যা করেন নাই তা না করা। তেমনি তিনি জীবনে কখনও ৩ সিজদা দেন নাই তাই আমরাও ৩ সিজদা দেই না, বোঝাতে পেরেছি আপনাকে?
-হুম...!
.
-দেখুন, মিলাদ কিয়াম হল গোপন শিরক, আর যারা তা করে তারা হল মুশরিক।
-আমরা মুশরিক? হাসালেন ভাই!
-আপনাদের ধারনা মিলাদের সময় নবী ﷺ হাজীর হন। আপনারা মিলাদের এক সময় চেয়ার খালি করে দাড়িয়ে যান। আপনারা মনে করেন নবী ﷺ যেখানে সেখানে হাজির হতে পারে, গায়েব জানেন (নাউযুবিল্লাহ!) কিন্তু এই গুনটি তো একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আর কারো নেই। আল্লাহ ছাড়া কারো এই গুণ আছে বিশ্বাস করাই শিরক। এটা যে বিশ্বাস করবে শরীয়তের ভাষায় সে হচ্ছে মুশরিক। বোঝাতে পেরেছি আপনাকে’?
.
-এখন তো অনেক জায়গায় খালী চেয়ার রাখা হয় না, ইয়া নবী বলে দাড়ানোও হয় না...।
-দেখুন টোটাল জিনিসটাই নব-আবিস্কৃত বিদ’আত। মিলাদের মধ্যে কোন মঙ্গল থাকলে, তা নবী ﷺ সাহাবাদেরকে শিক্ষা দিতেন। যেহেতু সাহাবা, তাবেঈন, তাবে-তাবেঈন এটা করেনি। তাই এটা বিদ’আত। আর তাছাড়া বতর্মান যুগের মিলাদ-এ নবীর নামে অনেক শের, নাসিদ পড়া হয়। এই নাসিদ গুলোতে নবী ﷺ এর প্রতি অনেক বাড়াবাড়িমুলক শব্দ থাকে যা শিরকের অন্তরভুক্ত। এছাড়া ইয়া নবী সালামুআলাইকা, সালাতুনিয়া রাসুল্লাহ, ইয়া নবী তোমায় লাখে সালাম প্রভৃতি মানুষের বানানো দরুদ পড়া হয়। কখনও চিন্তা করেছেন কি যে মানুষের বানোনো দরুদ পড়া কতটুকু জায়েয? এর পর হয় সবার শেষে হাত তুলে সম্মিলিত মুনাজাত। আমি যেটাকে বলি বিদ’আতের উপর বিদ’আতের ইট দিয়ে ডেকে দেওয়া।
....
আর লিখলাম না, আল্লাহ আমাদের সবাইকে সহীহ দ্বীন পালন করার তৌফিক দান করুন,
আমিন...!